এশিয়ার ভূপ্রকৃতি খুবই বৈচিত্র্যময়। ভূপ্রকৃতির বৈশিষ্ট্য অনুসারে এশিয়াকে ছয় ভাগে ভাগ করা যায়–
- মধ্যভাগের পার্বত্য অঞ্চল।
- উত্তরের সমভূমি অঞ্চল।
- দক্ষিণের প্রাচীন মালভূমি অঞ্চল।
- দক্ষিণ ও পূর্বের নদীগঠিত সমভূমি অঞ্চল।
- উপকূলের সমভূমি অঞ্চল।
- দ্বীপপুঞ্জ।
মধ্যভাগের পার্বত্য অঞ্চল:
এশিয়ার মধ্যভাগে রয়েছে বিস্তৃত পার্বত্য অঞ্চল। এই অঞ্চলে অবস্থিত পামীর এবং আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে অসংখ্য পর্বত বিভিন্ন দিকে প্রসারিত হয়েছে।
এগুলি হল—
পামীর গ্রন্থি থেকে নির্গত পর্বতশ্রেণি: পামীর গ্রন্থি থেকে হিমালয়, কারাকোরাম, কুয়েনলুন, আলতিনতাগ, নানশান, তিয়েনশান, হিন্দুকুশ, সুলেমান, প্রভৃতি পর্বত।
আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে নির্গত পর্বতশ্রেণি: আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে এলবুর্জ, জাগ্রোস, পন্টিক, টরাস, জাগ্রোস প্রভৃতি পর্বত বিস্তৃত হয়েছে।
উত্তরের সমভূমি অঞ্চল:
মধ্যভাগের পার্বত্য অঞ্চলের উত্তরে একটি বড়ো সমতলভূমি রয়েছে। এশিয়ার উত্তরের এই সমভূমিপৃথিবার বৃহত্তম সমভূমি।
পামীর গ্রন্থি থেকে নির্গত পর্বতশ্রেণি: পামীর গ্রন্থি থেকে হিমালয়, কারাকোরাম, কুয়েনলুন, আলতিনতাগ, নানশান, তিয়েনশান, হিন্দুকুশ, সুলেমান, প্রভৃতি পর্বত।
আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে নির্গত পর্বতশ্রেণি: আর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে এলবুর্জ, জাগ্রোস, পন্টিক, টরাস, জাগ্রোস প্রভৃতি পর্বত বিস্তৃত হয়েছে।
উত্তরের সমভূমি অঞ্চল:
মধ্যভাগের পার্বত্য অঞ্চলের উত্তরে একটি বড়ো সমতলভূমি রয়েছে। এশিয়ার উত্তরের এই সমভূমিপৃথিবার বৃহত্তম সমভূমি।
এই অঞ্চলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় – কাস্পিয়ান সাগর ও আরল সাগরের চারিদিকে অবস্থিত তুরানের নিম্নভূমি অঞ্চল, ও ওব, ইনিসি ও লেনা নদীর পলি সঞ্চয়ের ফলে ও হিমবাহের কাজের ফলে সৃষ্ট সাইবেরিয়ার সমভূমি এবং ও উত্তর - পূর্ব দিকে প্রাচীন মালভূমি ক্ষয়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্ট পূর্বের সমভূমি বা শিল্ড সমভূমি অঞ্চল।
দক্ষিণের প্রাচীন মালভূমি অঞ্চল:
এশিয়ার দক্ষিণে প্রাচীন মালভূমি রয়েছে যা শক্ত শিলা দ্বারা গঠিত। নদীপ্রবাহ দেখলে বোঝা যায় অঞ্চলটির ঢাল পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে। দক্ষিণের এই প্রাচীন মালভূমির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— আরবের মালভূমি, দাক্ষিণাত্যের মালভূমি এবং ও ইন্দোচিন মালভূমি।
দক্ষিণ ও পূর্বের নদীগঠিত সমভূমি:
এশিয়ার দক্ষিণ ও পূর্বে নদীবাহিত পলি দ্বারা যেসব সমভূমি গঠিত উঠেছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস নদীর তীরের মেসোপটেমিয়া সমভূমি, সিন্ধু গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র সমভূমি, ও উত্তরের চিন সমভূমি।
উপকূলের সমভূমি অঞ্চল:
এশিয়ার পশ্চিম দিক ব্যতীত তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত। এখানেই উপকূলীয় সমভূমির অবস্থান লক্ষ করা যায়।
দ্বীপপুঞ্জ:
এশিয়ার দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর কতকগুলি দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে,
যেমন— জাপানের দ্বীপসমূহ, ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপসমূহ, কিউরাইল দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ।
দক্ষিণের প্রাচীন মালভূমি অঞ্চল:
এশিয়ার দক্ষিণে প্রাচীন মালভূমি রয়েছে যা শক্ত শিলা দ্বারা গঠিত। নদীপ্রবাহ দেখলে বোঝা যায় অঞ্চলটির ঢাল পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে। দক্ষিণের এই প্রাচীন মালভূমির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— আরবের মালভূমি, দাক্ষিণাত্যের মালভূমি এবং ও ইন্দোচিন মালভূমি।
দক্ষিণ ও পূর্বের নদীগঠিত সমভূমি:
এশিয়ার দক্ষিণ ও পূর্বে নদীবাহিত পলি দ্বারা যেসব সমভূমি গঠিত উঠেছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস নদীর তীরের মেসোপটেমিয়া সমভূমি, সিন্ধু গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র সমভূমি, ও উত্তরের চিন সমভূমি।
উপকূলের সমভূমি অঞ্চল:
এশিয়ার পশ্চিম দিক ব্যতীত তিনদিক সমুদ্রবেষ্টিত। এখানেই উপকূলীয় সমভূমির অবস্থান লক্ষ করা যায়।
দ্বীপপুঞ্জ:
এশিয়ার দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর কতকগুলি দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে,
যেমন— জাপানের দ্বীপসমূহ, ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপসমূহ, কিউরাইল দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ।

0 Comments: