বর্তমানে ইনটারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রাপ্তের এবং বিভিন্ন বিষয়ের বিপুল পরিমাণ তথ্য নিমেষে পাওয়া সম্ভব। এজন্য বর্তমান যুগকে ‘তথ্য বিস্ফোরণের যুগ’ বলে অভিহিত করা হয়। ইনটারনেটের সহায়তায় নিমেষে ইতিহাসের বিভিন্ন তথ্যও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। তবে ইতিহাসের তথ্যসংগ্রহে ইনটারনেট ব্যবহারের কিছু সুবিধা যেমন আছে তেমনি বেশ কিছু অসুবিধাও রয়েছে;
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি হল;
বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেট ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যবহারের সুবিধা অনেক।
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
তথ্য সংগ্ৰহ সহজ: অতি সহজে ঘরে বসে দুনিয়ার প্রায় যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
তথ্য সংগ্ৰহ দ্রুত হয়: ইঞ্জিনের সাহায্যে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত খুঁজে বের করা যায়।
তথ্য সংগ্রহে স্বল্প ব্যয়: প্রচুর অর্থ ব্যয় না করে বই না কিনে অতি সামান্য অর্থের বিনিময় ডাটা ব্যবহার ওরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা যায়৷
পৃথিবীর বিখ্যাত লাইব্রেরী ব্যবহার: ঘরে বসেই সারা পৃথিবীর অনলাইন লাইব্রেরী থেকে দুষ্প্রাপ্য মূল গ্রন্থ কিংবা রিপোর্ট সংগ্রহ করা যায়।
ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা:
উপরোক্ত সুবিধার সত্বেও ইন্টারনেট ব্যবহারের কিছু অসুবিধাও আছে।
যথার্থতা যাচাই করা কঠিন: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া তথ্যগুলি কতটা যথার্থ নির্ভরযোগ্য তা যাচাই করা খুবই কঠিন। কেননা ইন্টারনেটের সার্চ ইঞ্জিন সত্য মিথ্যা যাচাই করার ক্ষমতা রাখেনা।
বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা: ফলে যে কেউ কোন অসত্য বা মন গড়া তথ্য নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপলোড করে দিতে পারে। ফলে পাঠক বা গবেষক বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
তথ্য চুরি হওয়ার ভয়: সাম্প্রতিকতম গবেষণার ফলাফল গবেষকের অজান্তে সহজেই অন্যের দ্বারা চুরি হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
সাম্প্রতিকতম ও দুর্মূল্য তথ্য সহজলভ্য নয়: চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে কোনো গবেষক সাধারণত সাম্প্রতিক ও দুর্মূল্য গবেষণালব্ধ ফলাফল ওয়েব জগতে প্রকাশ করেন না। ফলের তা সহজলভ্য হয় না।
সুতরাং সবকিছুর মত ইন্টারনেট ব্যবস্থারও সুবিধা-অসুবিধা দুই-ই আছে। তাই অসুবিধার বিষয়ে সচেতন থেকে এই ব্যবস্থার ব্যবহার ইতিহাসচর্চার পক্ষে অনেক ইতিবাচক ভূমিকা নিতে পারে - একথা নিসন্দেহে বলা যায়।

0 Comments: