INFO Breaking
Live
wb_sunny

Breaking News

চম্পারণ সত্যাগ্রহ:

চম্পারণ সত্যাগ্রহ:


দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে গান্ধিজি সত্যাগ্রহ আদর্শের ভিত্তিতে তিনটি আঞ্চলিক আন্দোলন পরিচালনা করে খ্যাতি লাভ করেন। এগুলির মধ্যে অন্যতম হল- 'চম্পারণ সত্যাগ্রহ' (১৯১৭ খ্রিস্টাব্দ)।

চম্পারণ সত্যাগ্রহের সূচনা:
বিহারের চম্পারণ জেলায় নীলকর সাহেবরা চাষিদের বলপূর্বক প্রতি ১ বিঘা জমির ৩ কাঠায় নীলচাষ করতে বাধ্য করত। আবার এই উৎপাদিত নীল চাষিরা কম দামে নীলকরদের বিক্রি করতেও বাধ্য ছিল। একে তিন কাঠিয়া ব্যবস্থা বলা হত। নীলকরদের এই নির্মম শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে চম্পারণের কৃষকরা স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ হয়।

গান্ধিজি ও বিশিষ্ট নেতাদের ভূমিকা:
নির্যাতিত নীলচাষিদের এই অবস্থার প্রতিকারের জন্য ব্রজকিশোর প্রসাদ, রাজেন্দ্র প্রসাদ, মহাদেব দেশাই, মহজর-উল-হক প্রমুখ তরুণ জাতীয়তাবাদীদের সঙ্গে নিয়ে গান্ধিজি চম্পারণে উপস্থিত হন। ব্রিটিশ সরকার মহাত্মা গান্ধিকে চম্পারণ ত্যাগের নির্দেশ দেয়, কিন্তু তিনি তা দৃঢ়তার সঙ্গে উপেক্ষা করেন। সরকার গান্ধিজিকে বন্দি করেও মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেষপর্যন্ত সরকার ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে চম্পারণ কৃষি বিল পাস করে সেখানকার চাষিদের নীলচাষ স্বেচ্ছাধীন করে। 

চম্পারণ সত্যাগ্রহের গুরুত্ব:
চম্পারণ কৃষক আন্দোলন কৃষকদের সংঘবদ্ধ করে তাদের মনোবল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সত্যাগ্রহ পদ্ধতির প্রথম সফল প্রয়োগ ঘটে এই আন্দোলনে।

0 Comments: