মাটির নীচের স্তর থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে অতিরিক্ত জল তুলে নেওয়ার ফলে মাটির নীচের ফাঁকা জায়গায় আর্সেনিকের যৌগ বাতাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিষাক্ত ধাতব যৌগ তৈরি করে। এই যৌগ জলে মিশে জলকে দূষিত করে, একে আর্সেনিক দূষণ বলে।
আর্সেনিক প্রভাবিত অঞ্চল:পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, বর্ধমান, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলির বিস্তৃত অঞ্চলে পানীয় জলে আর্সেনিক দূষণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে।
আর্সেনিক দূষণ প্রতিরোধের উপায়:
আর্সেনিক দূষণ প্রতিরোধের কয়েকটি পদ্ধতি হল—
- আর্সেনিকসমৃদ্ধ কীটনাশক আগাছানাশকের ব্যবহার কমাতে হবে।
- মাত্রাতিরিক্ত ভৌমজল উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।
- আর্সেনিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে ফিটকিরি ও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে হবে।
- সঠিক গভীরতায় নলকূপ বসাতে হবে ও নির্দিষ্ট সময় অন্তর আর্সেনিক পরীক্ষা করতে হবে।
- চাল, তরিতরকারি ইত্যাদি বারবার পরিশ্রুত জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে।
- ভাত রান্না করার সময় প্রচুর পরিমাণে জল দিয়ে রান্না করলে আর্সেনিকের পরিমাণ কিছুটা কমে।

0 Comments: